আমাদের ভিশন
লক্ষ্য: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো সংবিধান স্বীকৃত ৫টি মৌলিক চাহিদা প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিশ্চিত করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
দারিদ্র্য বিমোচন: একটি পরিবারও না খেয়ে থাকবে না’—এই নীতিতে অতি দরিদ্রদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা বা সরাসরি খাদ্য সহায়তা চালু করা।
বাসস্থান নিশ্চিতকরণ: গৃহহীনদের জন্য সরকারি খাস জমিতে বা বহুতল ভবনে ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’র মাধ্যমে স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।
আইনের শাসন: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান—এটি নিশ্চিত করা এবং বিনা বিচারে আটক বা হয়রানি বন্ধ করা। বাক-স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার পূর্ণপ্রতিষ্ঠা করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
দারিদ্র্য বিমোচন: একটি পরিবারও না খেয়ে থাকবে না’—এই নীতিতে অতি দরিদ্রদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা বা সরাসরি খাদ্য সহায়তা চালু করা।
বাসস্থান নিশ্চিতকরণ: গৃহহীনদের জন্য সরকারি খাস জমিতে বা বহুতল ভবনে ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’র মাধ্যমে স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।
আইনের শাসন: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান—এটি নিশ্চিত করা এবং বিনা বিচারে আটক বা হয়রানি বন্ধ করা। বাক-স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার পূর্ণপ্রতিষ্ঠা করা।
লক্ষ্য: ঢাকার ওপর স্বাস্থ্যসেবার চাপ কমানো এবং নিজ জেলায় বসে জনগণের উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
পরিকাঠামো উন্নয়ন: দেশের ৬৪টি জেলায় ন্যূনতম ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার: প্রতিটি হাসপাতালে কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, অনকোলজিসহ প্রধান বিভাগগুলোতে স্থায়ী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ নিশ্চিত করা।
বিনামূল্যে ওষুধ: দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় সব ওষুধ এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্ট বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
পরিকাঠামো উন্নয়ন: দেশের ৬৪টি জেলায় ন্যূনতম ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার: প্রতিটি হাসপাতালে কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, অনকোলজিসহ প্রধান বিভাগগুলোতে স্থায়ী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ নিশ্চিত করা।
বিনামূল্যে ওষুধ: দরিদ্র রোগীদের জন্য হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় সব ওষুধ এবং প্যাথলজিক্যাল টেস্ট বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা।
লক্ষ্য: দালালের দৌরাত্ম্য ও অভিবাসন ব্যয় শূন্যে নামিয়ে আনা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
সরকারি এজেন্সি: BMET-এর মাধ্যমে সরাসরি কর্মী নির্বাচন এবং সম্পূর্ণ সরকারি ব্যয়ে (পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট, ট্রেনিং) বিদেশে পাঠানো।
দক্ষতা উন্নয়ন: গন্তব্য দেশের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের জন্য বিনামূল্যে দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি ও ভাষাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
কর্মী সুরক্ষা: বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে ‘শ্রমিক উইং’ শক্তিশালী করা, যাতে কর্মীরা কর্মস্থলে কোনো বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
সরকারি এজেন্সি: BMET-এর মাধ্যমে সরাসরি কর্মী নির্বাচন এবং সম্পূর্ণ সরকারি ব্যয়ে (পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট, ট্রেনিং) বিদেশে পাঠানো।
দক্ষতা উন্নয়ন: গন্তব্য দেশের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের জন্য বিনামূল্যে দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি ও ভাষাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
কর্মী সুরক্ষা: বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে ‘শ্রমিক উইং’ শক্তিশালী করা, যাতে কর্মীরা কর্মস্থলে কোনো বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন।
লক্ষ্য: সনাতন শিক্ষাপদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে বিশ্ববাজারের উপযোগী দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনশক্তি তৈরি করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্মার্ট ক্লাসরুম: প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ল্যাপটপসহ ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন।
কোডিং ও রোবোটিক্স: ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে কারিকুলামে কোডিং, প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং রোবোটিক্সের প্রাথমিক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা।
বিনামূল্যে ডিভাইস: মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার স্তরে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট বিতরণ।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্মার্ট ক্লাসরুম: প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ল্যাপটপসহ ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন।
কোডিং ও রোবোটিক্স: ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে কারিকুলামে কোডিং, প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং রোবোটিক্সের প্রাথমিক পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা।
বিনামূল্যে ডিভাইস: মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার স্তরে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট বিতরণ।
লক্ষ্য: উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষি’কে লাভজনক পেশায় রূপান্তর করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
ফ্রি যন্ত্রপাতি: সরকারি উদ্যোগে ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘মেশিনারি ব্যাংক’ স্থাপন করে কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রাক্টর, হারভেস্টার, রোপণ যন্ত্র সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া।
ফ্রি সেচ: কৃষি সেচের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বা ডিজেল খরচ সম্পূর্ণ মওকুফ করা অথবা সৌরচালিত সেচ পাম্প বিনামূল্যে স্থাপন করে দেওয়া।
ডিজিটাল কৃষিসেবা: অ্যাপের মাধ্যমে ফসলের রোগ নির্ণয়, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং সরাসরি গ্রাহকের কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রির জন্য ‘ডিজিটাল কৃষিবাজার’ চালু করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
ফ্রি যন্ত্রপাতি: সরকারি উদ্যোগে ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘মেশিনারি ব্যাংক’ স্থাপন করে কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রাক্টর, হারভেস্টার, রোপণ যন্ত্র সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া।
ফ্রি সেচ: কৃষি সেচের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বা ডিজেল খরচ সম্পূর্ণ মওকুফ করা অথবা সৌরচালিত সেচ পাম্প বিনামূল্যে স্থাপন করে দেওয়া।
ডিজিটাল কৃষিসেবা: অ্যাপের মাধ্যমে ফসলের রোগ নির্ণয়, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং সরাসরি গ্রাহকের কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রির জন্য ‘ডিজিটাল কৃষিবাজার’ চালু করা।
লক্ষ্য: ঢাকাকে মানুষের বাসযোগ্য করা এবং প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ: হাইকোর্টের কয়েকটি বেঞ্চ, অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং বড় বড় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ঢাকার বাইরে প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোতে স্থানান্তর করা।
উপগ্রহ শহর (Satellite Town): ঢাকার আশেপাশে সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ৫-৭টি উপগ্রহ শহর বা স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলা, যেগুলোর সাথে ঢাকার দ্রুতগামী মেট্রো রেল সংযোগ থাকবে।
ইন্ডাস্ট্রি স্থানান্তর: ঢাকার ভেতর থেকে সব কলকারখানা ও ট্যানারি নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলে (যেমন: সাভার, গাজীপুর বা নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল) স্থানান্তর বাধ্যতামূলক করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ: হাইকোর্টের কয়েকটি বেঞ্চ, অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং বড় বড় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ঢাকার বাইরে প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোতে স্থানান্তর করা।
উপগ্রহ শহর (Satellite Town): ঢাকার আশেপাশে সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ৫-৭টি উপগ্রহ শহর বা স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলা, যেগুলোর সাথে ঢাকার দ্রুতগামী মেট্রো রেল সংযোগ থাকবে।
ইন্ডাস্ট্রি স্থানান্তর: ঢাকার ভেতর থেকে সব কলকারখানা ও ট্যানারি নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলে (যেমন: সাভার, গাজীপুর বা নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল) স্থানান্তর বাধ্যতামূলক করা।
লক্ষ্য: পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক স্বতন্ত্র বজায় রেখে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূলধারায় সম্পৃক্ত করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় মোবাইল মেডিকেল টিম এবং প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগসহ বিদ্যালয় স্থাপন।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন: জুম চাষের আধুনিকায়ন, কফি, কাজুবাদাম ও মসলা চাষে বিশেষ ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া। পাহাড়ি নারীদের হস্তশিল্পের বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা।
অধিকার ও নিরাপত্তা: পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং পাহাড়িদের ভূমি অধিকার নিশ্চিত করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় মোবাইল মেডিকেল টিম এবং প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগসহ বিদ্যালয় স্থাপন।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন: জুম চাষের আধুনিকায়ন, কফি, কাজুবাদাম ও মসলা চাষে বিশেষ ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া। পাহাড়ি নারীদের হস্তশিল্পের বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা।
অধিকার ও নিরাপত্তা: পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং পাহাড়িদের ভূমি অধিকার নিশ্চিত করা।
লক্ষ্য: দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিক শ্রেণীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমানো।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
শ্রমিক কল্যাণ ক্যাডেট স্কুল: বড় বড় শিল্পাঞ্চল (যেমন: সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম) এবং চা বাগান এলাকায় শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য আবাসিক সুবিধাসহ বিশেষায়িত মানসম্মত স্কুল স্থাপন, যেখানে শিক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি হবে।
হেলথ কার্ড: প্রতিটি শ্রমিক পরিবারের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ ইস্যু করা, যার মাধ্যমে তাদের সন্তানরা সরকারি ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে সব ধরণের চিকিৎসা ও অপারেশন বিনামূল্যে পাবে।
উচ্চশিক্ষায় কোটা: বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে শ্রমিক সন্তানদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থা চালু করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
শ্রমিক কল্যাণ ক্যাডেট স্কুল: বড় বড় শিল্পাঞ্চল (যেমন: সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম) এবং চা বাগান এলাকায় শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য আবাসিক সুবিধাসহ বিশেষায়িত মানসম্মত স্কুল স্থাপন, যেখানে শিক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি হবে।
হেলথ কার্ড: প্রতিটি শ্রমিক পরিবারের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ ইস্যু করা, যার মাধ্যমে তাদের সন্তানরা সরকারি ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে সব ধরণের চিকিৎসা ও অপারেশন বিনামূল্যে পাবে।
উচ্চশিক্ষায় কোটা: বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে শ্রমিক সন্তানদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থা চালু করা।
লক্ষ্য: সমাজের প্রভাব-প্রতিপত্তি বা রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্বাধীন বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীন করা, যাতে বিচারকরা কোনো চাপ ছাড়াই ন্যায়বিচার প্রদান করতে পারেন।
বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা: দরিদ্র ও অসহায় নাগরিকদের জন্য সরকারি খরচে যোগ্য আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনগত সহায়তার পরিধি বাড়ানো।
দ্রুত বিচার: মামলার জট কমাতে ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করা, বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার শেষ করা।
পুলিশি সংস্কার: পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা এবং জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা। সাধারণ মানুষের ওপর হয়রানি ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কঠোরভাবে বন্ধ করা।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
স্বাধীন বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীন করা, যাতে বিচারকরা কোনো চাপ ছাড়াই ন্যায়বিচার প্রদান করতে পারেন।
বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা: দরিদ্র ও অসহায় নাগরিকদের জন্য সরকারি খরচে যোগ্য আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনগত সহায়তার পরিধি বাড়ানো।
দ্রুত বিচার: মামলার জট কমাতে ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করা, বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে চাঞ্চল্যকর মামলার বিচার শেষ করা।
পুলিশি সংস্কার: পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা এবং জনগণের বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা। সাধারণ মানুষের ওপর হয়রানি ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কঠোরভাবে বন্ধ করা।
লক্ষ্য: নারী ও শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও ভয়হীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি মানুষের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকবে।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
কঠোরতম শাস্তি: ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের জন্য বিদ্যমান আইনের সংস্কার করে দ্রুততম সময়ে মৃত্যুদ্বণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ড কার্যকর করা।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল: ধর্ষণ মামলার বিচারের জন্য প্রতিটি জেলায় বিশেষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা এবং সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা।
ভিকটিম সাপোর্ট: ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধারে বিনামূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা, কাউন্সিলিং এবং আইনি সহায়তা প্রদান। তাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেওয়া।
পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা: বিদ্যালয় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া, যাতে ধর্ষণের মতো অপরাধের মানসিকতা সমাজ থেকে নির্মূল হয়।
বিস্তারিত পরিকল্পনা
কঠোরতম শাস্তি: ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের জন্য বিদ্যমান আইনের সংস্কার করে দ্রুততম সময়ে মৃত্যুদ্বণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ড কার্যকর করা।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল: ধর্ষণ মামলার বিচারের জন্য প্রতিটি জেলায় বিশেষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা এবং সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা।
ভিকটিম সাপোর্ট: ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধারে বিনামূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা, কাউন্সিলিং এবং আইনি সহায়তা প্রদান। তাদের পরিচয় গোপন রাখা এবং সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেওয়া।
পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা: বিদ্যালয় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া, যাতে ধর্ষণের মতো অপরাধের মানসিকতা সমাজ থেকে নির্মূল হয়।